Forbidden Love - 2 in Bengali Love Stories by MOU DUTTA books and stories PDF | নিষিদ্ধ ভালোবাসা - 2

Featured Books
Categories
Share

নিষিদ্ধ ভালোবাসা - 2

“অজানা অনুভূতির শুরু”
কলেজের করিডোরটা আজ অন্যদিনের চেয়ে একটু বেশি ব্যস্ত।
ঈশা ধীরে ধীরে হাঁটছিল, হাতে একটা বই।
তার চোখ বইয়ের পাতায়, কিন্তু মন পুরো অন্য কোথাও।
কারণ—
আজ সকালে মেঘলার সাথে কথা হয়নি।
এতদিনে প্রথমবার।
অদ্ভুত একটা খালি খালি লাগছে তার ভিতরে।
— “আমি কি ওর জন্য অপেক্ষা করছি?”
নিজেকেই প্রশ্ন করল ঈশা।
তারপর মাথা নাড়িয়ে নিজেকে বোঝাল—
“না… এটা normal।”
কিন্তু তার পা নিজের থেকেই ক্যান্টিনের দিকে ঘুরে গেল।
ক্যান্টিনে ঢুকতেই সে চারপাশে তাকাল।
অনেক ভিড়… অনেক হাসি… অনেক শব্দ…
কিন্তু সে খুঁজছে শুধু একজনকে।
মেঘলা।
হঠাৎই—
— “ঈশা!”
পেছন থেকে ডাক।
ঈশা ঘুরে তাকাতেই দেখল—
মেঘলা দৌড়ে আসছে।
— “সরি! আজ একটু late হয়ে গেছিল…”
ঈশা কিছু বলল না।
শুধু তাকিয়ে রইল।
— “তুমি রাগ করেছ?”
মেঘলা একটু মিষ্টি করে বলল।
— “না তো…”
— “মিথ্যে বলছো,” মেঘলা হেসে বলল।
ঈশা একটু লজ্জা পেয়ে চোখ নামিয়ে ফেলল।
দুজন একটা কোণে বসে পড়ল।
মেঘলা খেতে খেতে বলল—
— “তুমি না থাকলে ক্যান্টিন একদম boring লাগে।”
ঈশার বুকটা হালকা কেঁপে উঠল।
— “কেন?”
— “কারণ তুমি চুপচাপ থাকো… কিন্তু somehow ভালো লাগে।”
ঈশা কিছু বলল না।
কিন্তু তার মনে হলো—
এই কথাটা যেন তার ভেতরের কোথাও ছুঁয়ে গেল।
দিনগুলো আবার আগের মতো চলতে লাগল।
কিন্তু একটা ছোট্ট change এসেছে।
ঈশা এখন মাঝে মাঝে মেঘলার দিকে তাকিয়ে থাকে—
অকারণে।
আর মেঘলা সেটা notice করে।
— “তুমি আমার দিকে এত তাকাও কেন?”
একদিন হঠাৎ জিজ্ঞেস করল মেঘলা।
ঈশা চমকে উঠল—
— “না… আমি তো…”
— “আমি কি এত interesting?” মেঘলা হেসে বলল।
ঈশা একটু হেসে ফেলল।
— “হয়তো…”
এই প্রথম সে এমন কিছু বলল।
মেঘলা একটু থমকে গেল।
তার চোখে এক মুহূর্তের জন্য অন্যরকম একটা expression এল।
সেদিন বিকেলে লাইব্রেরিতে…
পুরো জায়গাটা শান্ত।
ঈশা একটা টেবিলে বসে পড়ছিল।
মেঘলা এসে তার সামনে বসে পড়ল।
— “আমি পড়তে পারি না,” সে বলল।
— “তাহলে এখানে কেন?” ঈশা তাকাল।
— “তুমি আছো বলে।”
ঈশার হাত থেমে গেল।
সে ধীরে ধীরে মাথা তুলল।
দুজনের চোখ একসাথে মিলল।
একটা অদ্ভুত নীরবতা…
যেন কিছু একটা হচ্ছে, কিন্তু কেউ বলছে না।
হঠাৎ মেঘলা বলল—
— “ঈশা, তুমি কি কখনো কারও খুব কাছের হয়ে গেছো?”
ঈশা একটু ভেবে বলল—
— “না… তেমন না…”
— “আমিও না,” মেঘলা ধীরে বলল।
তারপর একটু থেমে আবার বলল—
— “কিন্তু এখন মনে হচ্ছে… আমি কারও কাছে যেতে চাই…”
ঈশার বুকটা কেমন করে উঠল।
— “কার কাছে?”
মেঘলা হেসে বলল—
— “Guess করো 😊”
ঈশা কিছু বলল না।
সে বুঝতে পারছে না—
এই কথার মানে কী।
সন্ধ্যার দিকে দুজন কলেজ থেকে বের হলো।
আজ আকাশ পরিষ্কার।
কোনো বৃষ্টি নেই।
কিন্তু ঈশার ভিতরে একটা ঝড় চলছে।
সে নিজের feelings বুঝতে পারছে না।
মেঘলার সাথে থাকলে ভালো লাগে…
না থাকলে খারাপ লাগে…
এটা কি শুধু friendship?
না এর মধ্যে আরও কিছু আছে?
রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ মেঘলা বলল—
— “ঈশা…”
— “হুম?”
— “যদি একদিন আমি হঠাৎ disappear হয়ে যাই… তুমি আমাকে miss করবে?”
ঈশা থেমে গেল।
— “এই প্রশ্নটা কেন?”
— “Just asking…”
ঈশা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।
তারপর ধীরে বলল—
— “হ্যাঁ… খুব…”
মেঘলা একটু অবাক হয়ে তাকাল।
— “এতটা?”
ঈশা চোখ নামিয়ে বলল—
— “কারণ তুমি আমার জীবনে… important হয়ে গেছো…”
মেঘলা কিছু বলল না।
সে শুধু তাকিয়ে রইল ঈশার দিকে।
তার চোখে একটা অদ্ভুত নরম ভাব।
সেদিন রাতে…
ঈশা ডায়েরি খুলে লিখল—
“আমি জানি না এটা কী…
কিন্তু মেঘলার সাথে থাকলে মনে হয় আমি পুরো হয়ে যাই।”
ওদিকে মেঘলা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।
— “আমি কি ভুল কিছু অনুভব করছি?” সে ভাবল।
— “না… এটা ভুল না… কিন্তু সহজও না…”
দুজনেই বুঝতে পারছে—
কিছু একটা বদলাচ্ছে।
Friendship আর আগের জায়গায় নেই।
কিন্তু নতুন নামটা কেউ দিতে পারছে না।
এই অনুভূতির নাম কী?
ওরা কি সেটা মেনে নিতে পারবে?
চলবে ----
।আমাদের সকলের মনেই কখনও না কখনও কাউকে না কাউকে ভাললাগে যা আমরা প্রকাশ করতে পারি না সেই সকল মানুষের মাঝে আমি ও ছিলাম একটা সময় তাই এই লেখা সকল ভালোবাসার মানুষের  মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই আশা করি সকলের ভালো লাগবে ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন সকলে।