The Download Link has been successfully sent to your Mobile Number. Please Download the App.
Continue log in with
By clicking Log In, you agree to Matrubharti "Terms of Use" and "Privacy Policy"
Verification
Download App
Get a link to download app
খোকা ও কাঠবিড়ালি। লেখক:- সোহন ঘোষ। ( Sohan Ghosh) কাঠবিড়ালি, কাঠবিড়ালি! তুমি কি বাগানের মালি? সকাল থেকে সন্ধ্যে, ছুটে বেড়াও বাগানে। পড়াশুনা না করে, বেড়াও ঘুরে ঘুরে। বকে না কেউ তোমায়— বাবা-মা কিংবা কাকাই। কি হলো, মুখ ঘুরিয়ে! যাচ্ছো কোথায় পালিয়ে? আরে, আরে, কাঠবিড়ালি! গায়ে মেখে ধুলি, চললে কোথায় শুনি! ওরে দুষ্টু কাঠবিড়ালি! আমায় দেখে পালাচ্ছো বুঝি? আমার বন্ধু টিয়ে– বাগানে যখন আসে, তখন তুমি না পালিয়ে– খেলা করো তার সাথে। আমার পোষা ময়না, তাকে দেখেও যাও না। তবে, আমি কেন এলে তুমি সব কাজ ফেলে, ছুটে গিয়ে গাছে চড়ে আমায় দেখো বারে বারে? কি করছো? বসে গাছে। এসো আমার কাছে। খেলা করব দুজনে ফুলে-ফলে ভরা বাগানে। করো না আর চালাকি! নিচে নেমে এসো এক্ষুনি! শুনতে কি পাও নি? তুমি কানে কালা নাকি? ভালো কথা যায় না কানে, যতই মরি চেচিয়ে। বিচুতি পাতা তুলে এনে, গায়ে দেব লাগিয়ে। নিজেকে মালি ভেবে, খুব তো করছো বড়াই দেখবে এক্ষুনি, লাগিয়ে দেব, কাকার সাথে লড়াই। মাথা ভরা গোবর তোমার ঘুঁটে হচ্ছে শুকিয়ে; দেখবে এক্ষুনি, গায়ে তোমার পেনের কালি দেবো ছিটিয়ে। কাঠবিড়ালি, কাঠবিড়ালি, বাগানের হয়েছ মালি? বল দেখি কোন মাসে কাশ ফুল ফোটে? বল দেখি কোন মাসে আউশ ধান উঠে? বল দেখি কোন ফুল পাকে জন্মায়? পত্র কেন সবুজ হয়? জবা কেন লাল? বল দেখি ভেবে আমায় এসব কেন হয়? ভাব দেখাও ষোলো আনা! এসব কি আছে জানা? ওরে দুষ্টু কাঠবিড়ালি! না জেনেই হয়েছ মালি। বাগানের করে ফল চুরি পেট করেছো ভারি। উত্তর না দিয়ে, যাচ্ছ কোথায় সরে? নিয়ে যাবো দাদুর কাছে, লেজটি তোমার ধরে।
চললো খোকা। লেখক:- সোহন ঘোষ। ( Sohan Ghosh) খোকা যাবে মামার বাড়ি, হাতে নিয়ে মিষ্টির হাঁড়ি। মুখে তার মিষ্টি হাসি — যাবে খোকা মামার বাড়ি! মামার বাড়ি যাবে খোকা, সঙ্গে যাবে কুকুর ছানা। পথ দেখাবে পোষা ময়না, মামাবাড়িতে প্রচুর মজা।
স্বপ্নময় সমাজ ২। লেখক:- সোহন ঘোষ। ( Sohan Ghosh) আমাদের দেশে কবে আসবে সে আসার সমাজ, যেখানে মানুষ মানুষকে দেবে হৃদয়ের সাজ? বিপদকালে থাকবে না কেউ একা, সহমর্মিতায় গড়া হবে নতুন এক রেখা। ভয় নয়, মায়াই হবে মানুষের মূল, মন হবে স্বচ্ছ—থাকবে না কোনো ভুল। না থাকবে হিংসা, না কোনো ঝগড়া, বদলার পরিবর্তে আসবে ভালোবাসার ধারা। দোষ করলে শাস্তি নয়—আগে আসবে শিক্ষা, ভালোবাসার পাঠই হবে মানবতার দীক্ষা। কথা নয়, মানুষকে চিনবে তার কাজে, পরিচয় মিলবে কর্মেরই সাজে। সেই সমাজে সব কাজই পাবে সমান মান, ছোট-বড় ভেদ ভুলে দেবে হৃদয় দান। যোগ্য হলে কেউ পাবে না সমালোচনার ভাষা— প্রশংসাই হবে নিয়ম, ভালোবাসাই ভরসা। মনুষ্যত্বের গড়া সেই সমাজ হবে এই আমার আশা।
মা, আমি হব। লেখক:- সোহন ঘোষ। ( Sohan Ghosh) মা, আমি হব — আদর্শ ছেলে। সকালে ঘুম থেকে উঠব আমি সবার আগে, নিজের সব কাজ, করব নিজে — হাসিমুখে, শান্তভাবে। তুমি যা বলবে, পালন করব অক্ষরে অক্ষরে। করব না বায়না, করব না দুষ্টামি, গুরুজনদের দেব শ্রদ্ধা, সম্মান আমি। অপমান হয় তোমার — এমন কাজ নাহি করব। পড়ব আমি মন দিয়ে সারাটি দিন, বড়ো হয়ে গড়ব ঘর তোমার জন্য একদিন। আর কিনব একখানি গাড়ি — মাগো, গাড়ি চেপে দেব আমরা দিগন্তে পাড়ি।
হাবু ও ডাক্তারবাবু। লেখক:- সোহন ঘোষ। ( Sohan Ghosh) বিকেল থেকে হাবু, পেটের যন্ত্রনায় বেজায় কাবু! তাই গেলেন ডাক্তারখানা – বললেন, “ডাক্তার বাবু, কিছু করে সারান পেটের যন্ত্রণা! বাঁচান আমায়, ডাক্তার বাবু” “আজ-কাল কি খেয়েছিলে, তা বলো দেখি, হাবু?” “নেমন্তন্ন করেছিল কালকে – আমাদের পাড়ার ভজা দাদু! খেয়েছিলাম সেখানে – ভাত-ডাল, দই-মিষ্টি-গজা! খেতে লাগছিল কালকে ভীষণ মজা!” “আজ সকালে বৃষ্টি হচ্ছিল রিমঝিম, তাই খেয়েছিলাম খিচুড়ি আর কালকের ভাজা ডিম।” শুনে ডাক্তার বললেন ভেবে, “তোমার চোখ দেখি আগে, তারপর হবে পেটে!” শুনে হাবু বেজায় কাবু, বলল করুন সুরে, “যন্ত্রণা হচ্ছে আমার পেটে – তাহলে ডাক্তার, চোখ দেখো কেমনে?” বললেন ডাক্তার রেগে, “কালকের ভাজা ডিম দেখেও কেমন করে তুমি খেলে – সেটা বলো দেখি আগে!” “যদি চাও সুস্থ থাকতে, খাবার খাও বিবেচনা করে। ভাত-ডাল, দই-মিষ্টি-গজা – যতই খেতে লাগুক মজা! খাওয়া যাবে না বেশি বেশি, খেলে হবে শরীরের ক্ষতি।”
বাগানের মালি কাঠবিড়ালি। লেখক:– সোহন ঘোষ। কাঠবিড়ালি, কাঠবিড়ালি, তুমি কি বাগানের মালি? সারা বাগান ঘুরে বেড়াও, ইঁদুর এলে তেড়ে যাও। আমি এলে কেন পালাও? তুমি কি আমাকে ভয় পাও? কাঠবিড়ালি, কাঠবিড়ালি। তুমি কি বাগানের মালি?
হাবুর শ্যালক। লেখক:- সোহন ঘোষ। ( Sohan Ghosh) চোখ খুলে, দেখো হাবু, আমি তোমার শালাবাবু। এলাম কি করে— তা বলবো পরে। পেয়েছে ভীষণ খিদে, খেতে দাও আগে। ঘরে আছে যত খাবার— তাই দিয়েই করি আহার। তুমি বাপু যাও বাজারে, দই–গজা, মুড়কি–চিঁড়ে, মাছ–মাংসও থলি ভরে। ঝটপট আসবে নিয়ে, খাব আজ পেট পুরে— হাতের কব্জি ডুবিয়ে। সঙ্গে যদি না থাকে মাছ ভাজা, খেতে লাগে না মজা। তাই পটল, বেগুন আর শিম ভাজা, না পেলে দেবো তোমায় ভীষণ সাজা। তারপর এসো নিয়ে গোবিন্দভোগ চাল, সঙ্গে যেন থাকে মাংস আর মুগের ডাল। আর চাই ঝিঙে–আলু–পোস্ত, যেটা বাবা খেতে ভালোবাসতো। সবার শেষে দেবে দই, মিষ্টি, চাটুনি। খেয়ে বলব, ভেবে— তুমি কেমন রাঁধুনি?
ময়ূর-ময়ূরীর বিয়ে। লেখক:- সোহন ঘোষ। ( Sohan Ghosh) ডুমাডুম, ডুমাডুম, বাজনা বাজে। ময়ূরের মাসি, পেখম তুলে নাচে। ময়ূরের বিয়ে হবে আজ চাঁদনী রাতে, পাশের গ্রামের ময়ূরীর সাথে। ময়ূর করতে যাবে আজ বিয়ে, বনের পাখিদের সঙ্গে নিয়ে। রজনীগন্ধার মালা পড়ে, ময়ূর ময়ূরীকে করবে বিয়ে। চাঁদের আলো সাক্ষী রেখে, নদীর ধারের ওই কদমতলাতে।
Story Title: silence in the hunter’s shadow. Writer: Sohan Ghosh. This video is created using AI-generated cinematic visuals and ambient sound. There is no voiceover or dialogue — only silence, atmosphere, and emotion. The purpose of this video is artistic expression. It does not promote violence. It reflects how nature silently mourns when life is taken for pleasure. Original literary content © Sohan Ghosh All rights reserved. Thank you for watching. #CinematicShort #CinematicVideo #SilentCinema #VisualStorytelling #VisualPoetry #NatureAndSilence #NatureShortFilm #ForestCinematic #WildlifeStory #AntiHunting #NatureMourns #LifeAndNature #PoeticCinema #ArtFilm #AIArt #AICinematic #AIGeneratedVideo #VerticalCinema #ReelsCinematic #ShortFilm #AtmosphericVideo #EmotionalCinema #NatureLovers #SaveNature #WildlifeProtection #SohanGhosh #OriginalStory
Copyright © 2026, Matrubharti Technologies Pvt. Ltd. All Rights Reserved.
Please enable javascript on your browser